টাংগাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া (সাটুরিয়া) এলাকা থেকে ‘পিকআপ ও হাইজ গাড়ী (নোয়া) চুরি করে পালানোর সময় গাড়িসহ দুই চোরকে হাতে-নাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। আটকৃতদের নাম (১) মোঃ লোকমান হোসেন (৩৫) পিতা-বাদশা মিয়া ও (২) মোঃ রাজীব হোসেন (৩৭) পিতা- আব্বাস আলী। এর মধ্যে লোকমান হোসেন বাড়ী পাশ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার চাচিতারা গ্রামে। সে একজন চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী এবং রাজীব হোসেনের বাড়ী নাগরপুর উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নের তাতছেরী গ্রামে।

মঙ্গলবার( ১৫ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩:১০ মিনিটে তাদেরকে আটক করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়সূত্র জানায়, চোরদ্বয় প্রথমে তালা ভেঙ্গে গাড়ী রাখার ঘরে প্রবেশ করে। অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে গাড়ীর লক খুলে প্রথমে প্রাইভেট কারটি বাহির করে। কিন্তু দ্বিতীয় গাড়ী নোয়া (হাইজ) আনতে গেল অসতর্কতা বসতঃ গাড়ীটি ষ্ট্র্রাট হয়ে যায়।

গাড়ীর শব্দে বাড়ীর মালিক খোকন মেম্বারের মা টের পেয়ে যান। তৎক্ষণীক তিনি চুপি চুপি গাড়ী রাখার ঘরে কাছে এসে বাহির হতে ছিটকারী বন্ধ করে চিৎকার চেচাঁমেচি শুরু করলে পাড়া-প্রতিবেশীরা মিলিত হয়ে চোরদ্বয়কে আটক করতে সমর্ত হন।

এ ব্যাপারে গাড়ীর মালিক (৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার) খোকন মিয়া জানান, গতকাল বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখে আমি রাত ২:৩০ ঘুমিয়ে পড়ি। আমার মা বয়োস্ক মানুষ। রাতের তার ঘুম কম হয়। অধিকাংশ সময় রাতে জাগনা থাকেন। চোরদ্বয় গাড়ী রাখার ঘরের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে গাড়ী নিয়ে গেট পারি দেওয়ার আগেই মা টের পেয়ে চিৎকার চেচাঁমেচি শুরু করলে স্থানীয় জনতাসহ আমরা হাতে-নাতে চোরদ্বয়কে আটক করি।

এই সময় তাদের কাছ থেকে তালাকাটার অত্যাধুনিক কার্টার, স্কুপডাইভার ও সুপারগুলো আঠা জব্দ করা হয়। পরে বিষয়টি পাকুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি নাগরপুর থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ এসে তাদেরকে থানা হেফাততে নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানা পুলিশসূত্র জানায়, চোরদ্বয় আমাদের থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদেরকে ব্যাপক জিঞ্জাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিগত কয়েক মাস ধরেই তিন জেলার (ঢাকা, টাংগাইল ও মানিকগঞ্জ) সীমান্তবর্তী এই এলাকাটিতে ব্যাপক মাদক সেবন ও চুরির ঘটনা ঘটছে। তা সত্যিকার অর্থেই আতংকের বিষয়। এব্যাপারে স্থানীয় জনতা প্রশাসনের সাড়াশী অভিযান কামনা করছেন।

ইউ