সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণ/প্রশাসনের বিরুদ্ধে দায়সারা আচরণের অভিযোগ নাহিদ ইসলামের

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ভয়াবহ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৬ জুলাই) রাতে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রশাসন ও স্থানীয় এমপিকে দায়ী করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে বিস্ফোরণ পরবর্তী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সুপরিকল্পিতভাবে প্রশাসনকে ব্যবহার করে এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কেন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হলো? এটি পরিকল্পিতভাবে তাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, "স্পষ্টভাবে আজকের এই বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহায়তায় হয়েছে। এই পদযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতেই এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমি এই সরকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সতর্ক করে বলতে চাই—নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারার জবাব আপনাদের দিতেই হবে।"
বিস্ফোরণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "এলাকার ডিসি, পুলিশ প্রশাসন এবং এমপি কী করছেন? তারা কেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলেন না? আমাদের কয়েকজন ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা দ্রুত এই ঘটনার বিচার চাই। অন্যথায় স্থানীয় প্রশাসন ও এমপিকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা হবে।"
সন্ত্রাসীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, "সাভারে কোনো সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। যারা খুনি, চাঁদাবাজ ও গণহত্যাকারীদের প্রশ্রয় দেবে, তাদের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতো হবে।"
সব ধরনের ভয়ভীতি ও বাধা উপেক্ষা করে জুলাইয়ের আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এনসিপির পদযাত্রা কর্মসূচি চলমান থাকবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
এর আগে, রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে কর্মসূচি চলাকালে আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পরপরই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
জেএস

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
© 2026 দৈনিক ডেসটিনি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।





