তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

ছবি: ডেসটিনি প্রতিনিধি
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি এসেছে। মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজন সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পিবিআই ঢাকা মেট্রোর পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, গত ১৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম-১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন জাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর ডিএনএ সংগ্রহের অনুমতি দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের মেঘাই গ্রামের বাসিন্দা এবং রাব্বী কুমিল্লা নগরীর রাজাপাড়া লক্ষীনগর এলাকার বাসিন্দা। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।
এর আগে একই মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সাবেক সেনাসদস্য শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে।
এদিকে মামলার দুই প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ রয়েছে। তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, শাহিন আলম বর্তমানে কুয়েতে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে জাহিদুজ্জামানের অবস্থান এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া হাফিজুর রহমান বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউস সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে।
ইউ











