ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যুবক হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তার

ছবি: ডেসটিনি প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাশী ইউনিয়নের কালিঙ্গা গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক যুবক নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) ভোররাতে পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১৯ জুলাই) পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে কালিঙ্গা গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নিলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন মো. ইলিয়াস খান (২৬)। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। নিহত ইলিয়াস উপজেলার পাঙ্গাশী ইউনিয়নের কালিঙ্গা গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে।
ঘটনার পর নিহতের ভাই রতন আলী খান বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর এলাকা থেকে কালিঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল (৪২), পিতা আব্দুল আজিত এবং কামারখন্দ থানা এলাকা থেকে একই গ্রামের মো. সোহেল খান (৪০), পিতা মৃত আব্দুল মোমিন খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সিয়াম আহমেদের বাবা রাসেলের সঙ্গে ইলিয়াস খানের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সেই বিরোধের জেরে রাসেল ও তার কিশোর ছেলে সিয়াম আহমেদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইলিয়াসকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান বলেন, “ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কাউকে আইনের বাইরে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
পুলিশের ভাষ্য, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইউ

মো. লিমন হোসেন (হৃদয়)রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
© 2026 Daily Destiny. All rights reserved.












