রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। তবে বঙ্গভবন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

পদত্যাগের প্রেক্ষাপট ও প্রক্রিয়া স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র: সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে তার স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। স্পিকার বর্তমানে থাইল্যান্ড সফরে রয়েছেন এবং আজ রাতেই তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তিনি দেশে ফেরার পরই রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন বলে জানা গেছে।

সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা: সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ারাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হলেও, রাজনৈতিক ও মিডিয়া সূত্রগুলোর মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং বিভিন্ন সমীকরণের কারণে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে এই পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরের জন্য দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন ৭৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

জেএস