ইরানে টানা ১১তম দিনে মার্কিন হামলা, তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণ

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে টানা একাদশ দিনের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করে এই হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন স্থানে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (২২ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
যেসব এলাকায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টির ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও হ্রাস করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে।
তেহরান: আল জাজিরার সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, ইরানের রাজধানীজুড়ে ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
অন্যান্য অঞ্চল: তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ইরানের বুশেহর ও সিরিকের আশপাশেও বিস্ফোরণ ঘটেছে। এছাড়া ফার্স নিউজ জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের বেহবাহান ও ওমিদিয়েহ শহরের নিকটবর্তী এলাকা এবং উত্তর-পশ্চিম ইরানের তাবরিজের উপকণ্ঠে একটি সামরিক স্থাপনাও মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
যুদ্ধ ব্যয় ও ট্রাম্পের নতুন হুমকি
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মঙ্গলবার কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধের ব্যয় ইতোমধ্যে ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং পেন্টাগনের আরও ৯০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত তহবিলের প্রয়োজন রয়েছে। তার এই ঘোষণার পর ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের মাঝে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি খুব শিগগিরই ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামের একটি সন্দেহভাজন ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় অত্যন্ত জোরালো হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন। ট্রাম্পের এমন হুমকির জবাবে ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাতের মাত্রা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
জেএস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
© 2026 দৈনিক ডেসটিনি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।











