ডেঙ্গু দ্রুত শনাক্তের জন্য দেশের থানা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে এনএস১ (NS1) পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরের সরকারি হাসপাতালগুলোকে সম্ভাব্য রোগীর চাপ সামাল দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা, চিকিৎসাসামগ্রী এবং জনবল বৃদ্ধিসহ চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা আরও সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে কোনো রোগী চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করলেই হবে না; মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি।
এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মসজিদের ইমামসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাসাবাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশে কোথাও যেন পরিষ্কার পানিতে মশার লার্ভা জন্ম নিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতন আচরণই সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
ইউ