সিরাজগঞ্জে শিক্ষিকা ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া: শিক্ষা প্রশাসনে তোলপাড়

ছবি: সংগৃহীত
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ার ভট্টকাওয়াক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার ৩ মাসের মেডিক্যাল ছুটি শেষ হলেও কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, গত ৪ মাস পূর্বে ৩ মাসের মেডিকেল ছুটি নিয়ে শিক্ষিকা স্টুডেন্ট ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। ২ জুন উক্ত তিন মাসের মেডিক্যাল ছুটি মেয়াদ শেষ হয়। তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান না করায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শিক্ষক ও সচেতন মহল।
ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এক মাস অতিবাহিত হলেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এ ঘটনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় শিক্ষক ও সচেতন মহল।
ভট্টকাওয়াক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিখা রানি দাস জানান, সহকারী শিক্ষক কানিজ ফাতেমা কর্মস্থলে যোগদান না করায় বিষয়টি তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসে অবহিত করেছেন।
উল্লাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সহকারী শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টা গতকাল জানতে পেরেছি, ছুটির পর কেন কর্মস্থলে যোগদান করেন নাই,কারণ দর্শানোর জন্য তার নিকট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিঠি প্রেরণ করা হবে। তবে প্রধান শিক্ষক কোনো চিঠি বা ব্যক্তিগতভাবে কিছু জানাননি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যে অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গেছে। একজন সরকারি শিক্ষকের ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও কেন তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।
একজন সরকারি শিক্ষক দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পরও যদি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা শিক্ষা প্রশাসনের তদারকি ও জবাবদিহিতা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সামনে নিয়ে আসে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ হবে।
ইউ

© 2026 দৈনিক ডেসটিনি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।









