মসজিদ কবরস্থানের পার্শ্ববর্তী দেওয়ালটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যে কোনো মুহূর্তে দেওয়ালটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় এলাকাটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, দেওয়ালটি হেলে পড়ায় বাঁশ দিয়ে ঠেকনা দিয়ে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে চারপাশ সবুজ নেট দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। পথচারীদের সতর্ক করতে টাঙানো হয়েছে বিশেষ সতর্কীকরণ ব্যানারও।
চসিকের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের স্বাক্ষরসংবলিত ওই ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে, "সতর্কীকরণ: ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত স্থাপনা এড়িয়ে চলার আহ্বান করা হচ্ছে।" জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক হওয়ায় বাড়ছে ঝুঁকিস্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অত্যন্ত জনবহুল এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ষোলশহর রেল স্টেশনে যাতায়াত করেন।
এছাড়া দেওয়ালের কাছাকাছি এলাকায় রয়েছে একটি ঘন আবাসিক এলাকা এবং হোসেন আহমদ স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।সকাল ও বিকালের দিকে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও মুসল্লিদের এই পথে চলাচল বহুগুণ বেড়ে যায়। এমতাবস্থায় দেওয়ালটি দ্রুত অপসারণ না করা হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন সাধারণ পথচারীরা।
আতঙ্ক প্রকাশ করে মসজিদের এক স্থানীয় মুসল্লি বলেন, "এখানে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী এবং রেল স্টেশনের যাত্রীরা যাতায়াত করে। দেওয়ালটি যেভাবে ঝুঁকে আছে, তাতে অভিভাবকদের মধ্যে সবসময় আতঙ্ক কাজ করে। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।"সিটি কর্পোরেশনের বক্তব্যজনদুর্ভোগ ও ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে চসিক ইতিমধ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সিটি কর্পোরেশনের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা দৈনিক ডেসটিনিকে জানান, "জনগুরুত্ব বিবেচনা করে বিষয়টি আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখছি। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলেই ঝুঁকিপূর্ণ দেওয়ালটি সম্পূর্ণ অপসারণ করে নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।"
এদিকে, নগরবাসীর সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত এলাকা দিয়ে চলাচলের সময় সবাইকে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।
জেএস