মায়ামিতে ইতিহাস/দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ডের পদক

ছবি: সংগৃহীত
ছয় দশক পর বিশ্বকাপের মঞ্চে পদক জয়ের স্বাদ পেল ইংল্যান্ড। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ‘থ্রি লায়ন্স’রা।
১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটিই তাদের সেরা সাফল্য। ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম রোমাঞ্চকর এক গোলবন্যার লড়াই। থমাস টুখেলের শিষ্যরা প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকে জয়ের পথ অনেকটা পরিষ্কার করে ফেলেছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ম্যাচটি দারুণ উত্তেজনার সৃষ্টি করে।
ম্যাচের উল্লেখযোগ্য দিক
গোলদাতা: ইংল্যান্ডের হয়ে গোল করেছেন ডেকলান রাইস, এজরি কনসা, বুকায়ো সাকা (হ্যাটট্রিক) এবং জুড বেলিংহাম। ফ্রান্সের হয়ে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, অন্য দুই গোল আসে বারকোলা ও উসমান দেম্বেলের পা থেকে।
সাকার হ্যাটট্রিক: বুকায়ো সাকা এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে নিলেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে হ্যাটট্রিক করা চতুর্থ ইংলিশ ফুটবলার তিনি।
বেলিলিংহামের জাদু: ম্যাচের শেষ মুহূর্তে জুড বেলিংহামের একক নৈপুণ্যে করা গোলটি ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে। এর আগে ১৯৯০ ও ২০১৮ সালে সেমিফাইনালে উঠলেও ইংল্যান্ডকে চতুর্থ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল।
এবার তৃতীয় চেষ্টায় এসে তারা জয় করল কাঙ্ক্ষিত ব্রোঞ্জ। এই জয়ের মাধ্যমে কোচ থমাস টুখেল তার অধীনে ইংল্যান্ডকে ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের সেরা অবস্থানে নিয়ে এলেন। অন্যদিকে, এই ম্যাচটি ছিল ফ্রান্সের কোচ হিসেবে দিদিয়ের দেশঁর শেষ ম্যাচ। হারের দিনেও ব্যক্তিগত অর্জনে উজ্জ্বল ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
জেএস

স্পোর্টস ডেস্ক
© 2026 দৈনিক ডেসটিনি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।











