চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাশেদ উল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কারখানার বিস্ফোরণে মাহমুদুল হকের শরীরের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় তাকে বার্ন ইউনিটে এনে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে ওই লবণ কারখানায় নতুন একটি জেনারেটর স্থাপনের কাজ চলছিল। এ সময় আকস্মিক একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে এবং কর্মরত বেশ কয়েকজন শ্রমিক দগ্ধ হন। দুর্ঘটনার পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল।

জেএস