মাঠের বাইরেও আলোচনায় ইয়ামালকে এই প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া?

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেনের শিরোপা জয়ের পর থেকেই ফুটবল বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ১৯ বছর বয়সী তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল। মাঠের অসাধারণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের। বিশেষ করে ইয়ামালের প্রেমিকা ও জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার ইনেস গার্সিয়া সান্তোসকে নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।
কে এই ইনেস গার্সিয়া?
ইনেস গার্সিয়া সান্তোস স্পেনের একজন সুপরিচিত ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং ফ্যাশন ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার। ২০০৫ সালে সেভিলে জন্মগ্রহণকারী ইনেস ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে ফ্যাশন, মেকআপ এবং লাইফস্টাইল সংক্রান্ত ভিডিওর জন্য সমধিক পরিচিত। ইয়েপোদা, ওমেনস সিক্রেট ও আলি এক্সপ্রেসের মতো নামি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করা ইনেসের সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েক মিলিয়নেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় ও প্রেম
ইয়ামাল ও ইনেসের সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে ইনেস মজার ছলে বলেছিলেন, ‘আপনারা হয়তো ভাবছেন এটি কোনো সিনেমার মতো প্রেমের গল্প, কিন্তু আসলে এটি শুরু হয়েছে ৩, ২, ১... সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে!’ ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো তারা প্রকাশ্যে নিজেদের সম্পর্কের কথা জানান। গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা উদযাপন অনুষ্ঠানে তারা প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে একসঙ্গে উপস্থিত হন। বিশ্বকাপজুড়ে ইয়ামালের ১৯ নম্বর জার্সি পরে গ্যালারিতে হাজির থেকে তিনি তার প্রেমিককে নিরন্তর সমর্থন যুগিয়েছেন।
বিজয় উদ্যাপন ও আবেগঘন মুহূর্ত
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা জয়ের পর ইয়ামাল ও ইনেসের আবেগঘন মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে। ফাইনাল শেষে ইনেস ইনস্টাগ্রামে তাদের একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘তুমি করে দেখিয়েছ। অভিনন্দন আমার ভালোবাসা, তুমি বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন।’ জবাবে ইয়ামাল নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি, আমার ভালোবাসা।’
গুঞ্জন ও ইনেসের প্রতিবাদ
সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইনেসকে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো—ইনেস তার আগের সম্পর্কের বন্ধু গঞ্জালোকে ছেড়ে ইয়ামালের কাছে এসেছেন। তবে ইনেস স্পষ্টভাবে এসব দাবি অস্বীকার করেছেন। তিনি এ ধরণের ভিত্তিহীন গুজবের কোনো গুরুত্ব দিতে নারাজ বলে জানিয়েছেন।
ফুটবল প্রেমীদের কাছে এই তরুণ জুটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। অনেকে ইনেসকে ইয়ামালের ‘সৌভাগ্যের প্রতীক’ হিসেবেও দেখছেন। তবে ব্যক্তিগত জীবনের এসব আলোচনার চেয়ে ইয়ামাল তার পেশাদার ক্যারিয়ার এবং স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের মুহূর্তগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ইউরো জয়ের পর বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ফুটবলের অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন ইয়ামাল। এখন দেখার বিষয়, মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের এই নতুন অধ্যায়কে তিনি কতটা ভারসাম্যপূর্ণভাবে এগিয়ে নিয়ে যান।
জেএস

স্পোর্টস ডেস্ক
© 2026 দৈনিক ডেসটিনি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।












