আল-আরাফাহ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরল পুরোনো মালিকদের হাতে

ছবি: সংগৃহীত
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ পুরোনো মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক অবস্থার উন্নতি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন করে ১৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠনের বিষয়ে সম্প্রতি একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, পূর্বের ১২ জন উদ্যোক্তা পরিচালক এবং ২ জন স্বতন্ত্র পরিচালকের সমন্বয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। নতুন পর্ষদে কেডিএস গ্রুপ থেকে তিনজন পরিচালক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তারা হলেন— কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, কেডিএস গার্মেন্টসের প্রতিনিধি মাহবুব আহমেদ এবং কেডিএস টেক্সটাইলের প্রতিনিধি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
পর্ষদের অন্যান্য পরিচালকরা হলেন— ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান, এনায়েত উল্লা, সেলিম রহমান, আহামেদুল হক, রফিকুল ইসলাম, ইমাদুর রহমান, নাজমুল আহসান খালেদ, আনোয়ার হোসাইন, আবদুস সালাম, লিয়াকত আলী চৌধুরী এবং কেওয়াই স্টিল মিলের প্রতিনিধি শরিফ উদ্দিন তসলিম।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের পর থেকে ব্যাংকটি পাঁচজন স্বতন্ত্র পরিচালকের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে খাজা শাহরিয়ারকে চেয়ারম্যান করে নতুন পর্ষদ গঠন করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন মো. শাহীন উল ইসলাম, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, এম আবু ইউসুফ ও মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান। এর আগে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলমের ভাই আব্দুস সামাদ লাবু।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বর্তমানে ১৬টি ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করেছে। তবে আল-আরাফাহ ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতির আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হওয়ায় এর মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মুখপাত্র আরও বলেন, অন্যান্য যেসব ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, সেসব ব্যাংকের অনেক উদ্যোক্তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু আল-আরাফাহ ব্যাংকের ক্ষেত্রে চিত্রটি ভিন্ন এবং উদ্যোক্তাদের সক্রিয় উপস্থিতি থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জেএস

Destiny Reporter
© 2026 Daily Destiny. All rights reserved.











