বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদ্য বহিষ্কৃত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ থাকছে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে দৈনিক আগামীর সময়কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

চিফ হুইপ স্পষ্ট করে জানান, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্যের পদ তখনই শূন্য হয়, যদি তিনি যে দলের মনোনয়নে নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেন। গাজী নজরুল ইসলামের ক্ষেত্রে এই শর্ত দুটির কোনোটিই প্রযোজ্য নয়, ফলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

জামায়াত যদি তার সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আবেদন করে, তবে কী হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, দল যদি এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে আইন অনুযায়ী তা বিবেচনা করার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও মূল প্রশ্নটি থেকেই যায় যে তিনি দল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন কি না।

এর আগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং বহিষ্কারের আইনি দিক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে একটি পোস্ট দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে ‘পদত্যাগ’-এর কথা বলা হয়েছে, যেখানে গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে ‘বহিষ্কার’ করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানিয়ে দিচ্ছে এবং এর ভিত্তি হিসেবে ‘নৈতিক স্খলন’-এর কথা বলা হচ্ছে। আইনজীবী শিশির মনিরের মতে, এই পরিস্থিতিতে তার সংসদ সদস্য পদে থাকা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

জেএস