আজ ২৭ নভেম্বর, শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের এক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন তিনি। বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব ডা. মিলনের মৃত্যু আন্দোলনে নতুন গতি সৃষ্টি করে এবং শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন ঘটে স্বৈরতন্ত্রের।

প্রতি বছরের মতো এবারও রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নানা আয়োজনে তার স্মৃতি স্মরণ করছে।

ডা. মিলন ১৯৭৩ সালে এসএসসি ও ১৯৭৫ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে ১৯৮৩ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করে চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

শহিদ মিলন দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী সরকারের ১৬ বছরের শাসনে গণতন্ত্রকে দমন করা হয়েছিল। তারেক রহমান আরও বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নতুনভাবে স্বাধীনতার পথ তৈরি হলেও দেশের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চক্রান্ত এখনো চলছে। শহিদ মিলনের আত্মত্যাগ গণতান্ত্রিক সংগ্রামে সবসময় প্রেরণা জোগাবে।