যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবস্থানে দৃশ্যমান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পর তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতামূলক ও সম্মানভিত্তিক সম্পর্ক গড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মধ্যরাতে মার্কিন অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। ওই ঘটনার পরই আদালতের আদেশে ডেলসি রদ্রিগেজ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের টেলিগ্রাম বার্তায় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন ও সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এর আগে অবশ্য রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি অভিযানের নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন আখ্যা দেন এবং নিকোলাস মাদুরোকেই ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ করেন। সে সময় তিনি ট্রাম্প প্রশাসনকে চরমপন্থী শক্তি বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

তবে রোববার ট্রাম্প ‘দ্য আটলান্টিক’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রদ্রিগেজকে সতর্ক করে বলেন, সঠিক পথে না চললে তাকে কঠোর মূল্য দিতে হতে পারে। এরপরই রদ্রিগেজের বক্তব্যে নমনীয়তার সুর স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বিশ্লেষকদের মতে, রোববারের বিবৃতির মাধ্যমে ডেলসি রদ্রিগেজ তার আগের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার পথে এগোনোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।