মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভেনেজুয়েলা সরকার। ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অবিলম্বে তাদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ভেনেজুয়েলা প্রস্তুত।

শনিবার সরাসরি সম্প্রচারিত এক সমাবেশে রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রকে এই অভিযানের জন্য দায়ী করে একে ‘বর্বর আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবরোধ ও চাপের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে ওয়াশিংটন, যার মূল লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদ দখল করা।

তার ভাষায়, “নিকোলাস মাদুরোই ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট। তাকে ও তার স্ত্রীকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে। আমরা এর তাৎক্ষণিক অবসান চাই।” তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলাকে আর কখনো কোনো সাম্রাজ্যের অধীন করা যাবে না।

রদ্রিগেজ জানান, এই ঘটনার কারণে জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তবে তিনি সবাইকে শান্ত ও সংযত থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মাদুরো ও ফ্লোরেসকে আটকের পর একটি অন্তর্বর্তী সময়ে ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তিনি বলেন, ‘নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল’ ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসন দেশটির পরিস্থিতি তদারকি করবে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, অভিযানের সময়ই দম্পতিকে আটক করে দেশটির বাইরে নেওয়া হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।