গণঅভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরেছে বিএনপির ঘরেই: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদন
মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরেছে বিএনপির নেতা–কর্মীদের ওপরই। তার মতে, গত ১৬ বছর বাংলাদেশ এক গভীর অন্ধকারের মধ্যে বন্দি ছিল, যেখানে ভিন্নমত রাজনৈতিক নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, গুম ও হত্যার সর্বোচ্চ ভুক্তভোগী ছিল বিএনপি।
তিনি উল্লেখ করেন, ভয়, দমন-পীড়ন আর মানবাধিকারহীনতার সেই সময়টিতে শুধু রাজনৈতিক কর্মীরাই নয়—ছাত্র, সাংবাদিক, লেখক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটিয়েছে। দীর্ঘদিন তাকে নিজেকেও বক্তব্য প্রকাশের অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
তারেক রহমান বলেন, সত্যকে দমন করা যায় না, এবং এই কঠিন সময়ে খালেদা জিয়া ধৈর্য, প্রতিরোধ ও গণতান্ত্রিক আদর্শের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে পরিবারও গভীর দুঃখ-যন্ত্রণা সহ্য করলেও তা তাদের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তার বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ভিন্ন মতকে শত্রু নয় বরং গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখা হবে। বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতি চায় না—তারা এমন বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে প্রত্যেক নাগরিক রাষ্ট্রের ভয়ে নয়, অধিকার ও মর্যাদার নিশ্চয়তায় বাঁচতে পারে।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকারদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন আর কোনো নাগরিক একই যন্ত্রণা ভোগ না করে। বিএনপি কঠিন সময় পেরিয়ে আরও দৃঢ় হয়েছে—ন্যায়, সত্য, জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তাদের অগ্রযাত্রা।

Siam Islam
© 2026 দৈনিক ডেসটিনি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।










